Showing posts with label Computer. Show all posts
Showing posts with label Computer. Show all posts

Saturday, July 22, 2017

Panda Internet Security 2012, + একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য।

Panda Internet Security 2012, + একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য।

Panda Internet Security 2012, + একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য।
আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তাদের নরমাল এন্টিভাইরাস সেরকম সাপোর্ট দিতে পারে না। তাই সবাই চায় একটু ভাল ইন্টারনেট সিকিউরিটি ব্যবহার করে তার পিসি কে ভাইরাস এবং মেলওয়ার থেকে সুরক্ষিত রাখতে। এই দিক থেকে PandaInternet Security  মোটামুটিভাবে জনপ্রিয় ।


ডাউনলোড করুন : এখান থেকে ।
একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য :
IS12PVIP-98464171
অথবা
IS12PVIP-98464172
ধন্যবাদ ।

জেনে নিন সকল ফাংশন কী এর ব্যবহার।

জেনে নিন সকল ফাংশন কী এর ব্যবহার।

জেনে নিন সকল ফাংশন কী এর ব্যবহার।
কেমন আছেন সবাই?
অনেক দিন পর আবার ব্লগে ফিরে এলাম। আজ আপনাদের কাছে সামান্য কিছু জ্ঞান বিতরনের উদ্দেশ্যে ফিরে এলাম। যদি আপনাদের সামান্যতম কিছু উপকারে আসে তাহলেই আমার এই পোস্টের সার্থকতা। কাজের কথায় আসি।
কম্পিউটার কি বোর্ড এর একদম উপরের দিকে তাকালে ১ ডজন  বাটন দেখা যাবে । F1, F2, F3, F4….. । এগুলো ফাংশন কি নামে পরিচিত । এসব বাটনের প্রত্যেকটির রয়েছে বিশেষ বিশেষ গুরুত্ব । আমাদের এগুলো জানা দরকার । নিচে এগুলোর বর্ণনা দেয়া হল -…



F1 : সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহৃত হয় যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে
 
F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়   “Alt + Ctrl + F2″ চাপ দিলে ডকুমেন্ট মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওপেন হয়
 
F3 : এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে পূর্বের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে
 
F4 : এটি চাপলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায় Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। এছাড়া Alt+F4 চেপে পিসি বন্ধ করার অপশন আনা যায়
 
F5 : আপনার পিসি একবার রিফ্রেশ করে F5 কি চেপে রাখলে পিসি বারবার রিফ্রেশ হতে থাকবে পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়।
 
F6 : এটি চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের (এক্সপ্লোরার / মজিলা) অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
 
F7 : এটি চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান গ্রামার ঠিক করা হয় মজিলা ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা হয়।
 
F8 : কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode- চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
 
F9 : কি টি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
 
১০ F10 : কি টি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়। এটি চেপে CMOS Setup প্রবেশ করা যায়
 
১১ F11 : কি টি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়। Ctrl + F11 দিলে Dell কম্পিউটারের “hidden recovery partition” চালু হয়
 
১২ F12 : কি টি চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। “Ctrl + Shift + F12″ চাপলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্ট প্রিন্ট হয়
*************************************
কেমন লাগলো কমেন্ট এ জানাবেন
**…ধন্যবাদ…**


সবার অজান্তেই পেনড্রাইভের ডাটা কপি করুন...

সবার অজান্তেই পেনড্রাইভের ডাটা কপি করুন...

সবার অজান্তেই পেনড্রাইভের ডাটা কপি করুন...
সবাইকে সালাম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ একটা ছোট্ট বিষয় সবার সাথে শেয়ার করলাম। নিচের যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করলাম এই সফটওয়্যারটি ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা অনেক বেশী। এই সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা মাত্র যেই পেনড্রাইব আপনার কম্পিউটারে ঢুকাবে সাথে সাথে তার সব ডাটা আপনার কম্পিউটারে জমা হয়ে যাবে।
প্রথমে সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন
ডাউনলোড করার পর এটি ওপেন করুন। ওপেন করার পর নিচের মত স্কিন আসবে।


এখন আপনি ডান পাশে Browse এ ক্লিক করে যে ফোল্ডারে অটোমেটিক পেনড্রাইভের ফাইল কপি হবে সে ফোল্ডারটি ধরিয়ে দিন । এখন স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে সফটওয়্যারটি মিনিমাইজ করুন । আপনার কাজ শেষ । এখন অন্যের পেনড্রাইভ আপনার কম্পিউটারে ঢুকিয়ে অন্যের ফাইল কপি করে নিন সবার অজান্তে ।

Internet Security কেনার দিন শেষ। নিয়ে নিন Avast Internet Security;...

Internet Security কেনার দিন শেষ। নিয়ে নিন Avast Internet Security;...

Internet Security কেনার দিন শেষ। নিয়ে নিন Avast Internet Security;...
আপনারা সবাই জানেন Avast Internet Security কিনে ব্যবহার করতে হয়। অন্যান্য internet Security’র চেয়ে দামও একটু বেশী। ১ বছরের লাইসেন্সের দাম  $50 বা ৩৯০০ টাকা। ২ বছরের লাইসেন্সের দাম  $75 বা ৫৮৫০  টাকা। ৩ বছরের লাইসেন্সের দাম $100 বা ৭৮০০ টাকা। সুত্রঃ
http://www.avast.com/internet-security (যদিও বাংলাদেশে সে তুলনায় কিছুটা কম দামে কিনতে পারা যায়)
Avast! Internet Security লিখে ইন্টারনেটে সার্চ দিলে অনেক লাইসেন্স এর সন্ধান পাবেন। ২০৫০ পর্যন্ত লাইসেন্সও পাবেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, ১ মাসের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। কারন মেয়াদ ২০৫০ হলেও তা বৈধ করার কোন পদ্ধতি দেখানো হয়নি। কয়েক জায়গায় বৈধ করার কয়েকটি Crack সফটওয়্যার পেয়েছি। কিন্তু ওগুলো Malware, Rootkit, Trojan, bat ইত্যাদি ভাইরাসে পরিপূর্ণ, যা পিসির বারোটা বাজানোর জন্য যথেষ্ট। আবার বৈধ না করা পর্যন্ত avast থেকে ৩-৪ ঘন্টা পর পর
“Your avast! Internet Security is illegal and will shut down ” এই নটিফিকেশনটি আসতে থাকবে। কয়েকদিন পর আর আপডেট হবে না। একমাস পরে এমন অবস্থা হয় যে আনইনস্টল করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। যাইহোক, অনেক কথা বলে ফেললাম (যদিও কাজের কথা)। কিছু মনে করবেন না।
এখন চলে যাচ্ছি মূল কাজে। আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে আমি ধাপে ধাপে করে দিচ্ছি। একটু মনোযোগ দিয়ে করলে সহজেই করতে পারবেন। আর আমি ইচ্ছে করেই কোন স্ক্রীনশট দেইনি (তবে License Tools এ Image ফোল্ডারে দরকারী কিছু স্ক্রীনশট দিয়েছি)। আমি আপনাকে খাবার রেডি করে দিতে পারি। কিন্তু খেতে হবে আপনাকেই। আপনার মুখে খাবার তুলে দেয়া আমার কাজ না। আমি অনেক সহজ ভাষায় লিখেছি। তারপরও যদি না বুঝেন তাহলে না করাই উত্তম।

ধাপ-১: 
  • avast এর পুরাতন ভার্সন বা অন্য কোন আন্টিভাইরাস থাকলে আগে আনইনস্টল করে নিন।
  • এরপর সর্বশেষ ভার্সন Avast Internet Security 8  ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড লিংক
  • অন্যান্য সফটওয়্যারের মত ইনস্টল করে নিন।
  • ইনস্টল শেষ হলে পিসি রি-স্টার্ট দিন।
ধাপ-২:
এবার আমরা কাজ করব লাইসেন্সের জন্য।


  • প্রথমে License Tools ফাইলটা ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড লিংক
  • ডাউনলোড শেষে License Tools নামের ফাইলটা আনজিপ করে নিন।
ধাপ-৩:
  • এবার Avast Internet Security প্রোগ্রামটি Open করুন। Settings এ ক্লিক করুন।
  • এরপর Troubleshooting (একেবারে নিচে) ক্লিক করুন।
  • এবার Troubleshooting মেনুর চার নাম্বার ঘরের টিকচিহ্নটি উঠিয়ে দিন। 
  • অর্থাৎ, Enable avast! Self defense module ঘরটি টিক চিহ্নিত থাকলে তা উঠিয়ে দিন। এর পর OK করে avast ক্লোজ করে দিন।
ধাপ-৪:
এবার License Tools ফোল্ডারটি ওপেন করুন। ওখান থেকে Mahabub.exe নামের ফাইলটি Run as administrator হিসেবে রান করান। পাসোয়ার্ড চাইলে দিবেন ZeNiX ।
সেটআপ শেষে পিসি পূনরায় রি-স্টার্ট দিন।

ধাপ-৫:
  • Avast Internet Security ওপেন করুন। নিশ্চই দেখতে পাচ্ছেন Trial Period not activated. BUY NOW  এরকম লেখা। মানে avast মামু এখনো একটিভ  হয় নি। নো টেনশন। মে হু না!!!
  • Maintenance (avast এর মেনু) এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Subscription এ ক্লিক করুন।
  • Active Trial Period এ ক্লিক করুন (অবশ্যই ইন্টারনেট কানেক্টেড থাকতে হবে)।
  • এবার নিশ্চই internet security active হয়ে গেলো। কিন্তু ২০৫০ সাল পর্যন্ত মেয়াদ দেখাচ্ছে না। 
  • তা দেখতে হলে আপনার পিসিকে আরো একবার রি-স্টার্ট করতে হবে। একটু বিরক্তি আসতেই পারে। এই বিরক্তিটাই কিছুক্ষন পরে আপনাকে হাস্যোজ্জ্বল করে তুলবে। রি-স্টার্ট করার আগে আর একটু কাজ করতে হবে।
শেষ ধাপ:
এখোনো কিন্তু আপনার Internet Security টি illegal. তাই অ্যাভাস্ট মামু কিছুক্ষন পর পর
“Your avast! Internet Security is illegal and will be shut down” এরকম লেখা দেখাবে। ভয়ের কিছু নেই। এরও সমাধান বের করেছি। License Tools এ Version.dll নামে একটা ফাইল দেয়া আছে। এটাকে কপি করে নিচে দেয়া দুটি ফোল্ডারে পেস্ট করুন।
C:Program FilesAVAST SoftwareAvast
(C ড্রাইভ থেকে Program Files > Avast Software > Avast ফোল্ডার এর ভেতর পেস্ট করুন)
C:Program FilesAVAST SoftwareAvastSetup
(C ড্রাইভ থেকে Program Files >  Avast Software >  Avast  > Setup ফোল্ডারে পেস্ট করুন)
এবার Avast! Internet Security প্রোগ্রামটি পুনরায় ওপেন করুন। Settings এ যান। এরপর Troubleshooting এ যান। Enable avast! Self-defense module এর ঘরটি পুনরায় টিক চিহ্নিত করে OK করে দিন।
এবার রি-স্টার্ট দিতে পারেন। এখন আপনার খুশি হবার পালা। নিশ্চই আপনার চোখ অনেক বড় হয়ে গেলো। হবারই কথা বটে। কারন আপনি না কিনেই Avast! Internet Security  বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারতেছেন। তাও আবার ২০৫০ সাল পর্যন্ত।

কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।


file বা ফোল্ডার hide করুন কোন রকম সফটওয়্যার...

file বা ফোল্ডার hide করুন কোন রকম সফটওয়্যার...

file বা ফোল্ডার hide করুন কোন রকম সফটওয়্যার...

কথা বাড়াবোনা। শিরোনাম দেখেই আশা করি বুঝে গেছেন যে আজ কি নিয়ে লিখতেছি।
হ্যাঁ, আজ আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে কোন সফটওয়্যার ছাড়া যে কোন ফাইল বা গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার হাইড করবেন, যেন কেউ আর খুজে না পায়। এজন্য প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে run এ ক্লিক করুন,
তারপর লিখুন cmd  এবং এন্টার চাপুন, একটা window আসবে, সেখানে লিখুন attrib তারপর একটি space দিয়ে লিখুন +s তারপর একটি space দিয়ে লিখুন +h তারপর একটি space দিয়ে লিখুন drive এর প্রথম অক্ষর যে drive এর file বা folder hide করতে চান, তারপর ইস্টু (:) দিয়ে যে file বা folder hide করতে চান তা লিখে enter চাপলেই ঐ file বা folder hide হয়ে যাবে, যেমন আমি যদি raihan নামের একটি ফোল্ডার f drive থেকে hide করতে চাই, attrib< > +s < > +h < > f:raihan,
আবার folder টি ফিরিয়ে আনতে চাইলে শুধু +s +H এর জায়গায় -s -h হবে, আর সব নিয়ম আগের মতই…
ভাল লাগলে comments করলে খুশি হব।

সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন.....।।
আল্লাহ হাফেয…।

কম্পিউটার কেরামতি অনেক করছেন। এবার...

কম্পিউটার কেরামতি অনেক করছেন। এবার...

কম্পিউটার কেরামতি অনেক করছেন। এবার...
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে একটি ছোট সফটওয়্যার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যা আপনার কম্পিউটার এর ফোল্ডার এর রঙ পরিবর্তন করতে পারবে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি ইচ্ছেমত বদলে নিতে পারবেন আপনার কম্পিউটার এর সমস্ত ফোল্ডার এর রঙ। এতে আপনার কম্পিউটার এর ভিতরে দেখতে চমৎকার লাগবে। দারুন এই সফটওয়্যারটি মিস করলে কিন্তু অনেক কিছু মিস করে ফেলছেন।

সরাসরি ডাউনলোড লিংক – এখনে ক্লিক করুন

এটি উইন্ডোজ ৮, এক্সপি এবং উইন্ডোজ ৭ এ চালাতে পারবেন। ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন।
তারপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে দেখুন বিভিন্ন রঙ সেখানে দেয়া আছে। আপনার যেটি পছন্দ হবে আপনি সেটি সিলেক্ট করে দিন, তাহলেই আপনার ফোল্ডারটি সেই কালার এর হয়ে যাবে। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।