Friday, December 22, 2017

এলিয়ন : যুক্তরাষ্ট্রের গোপন গবেষনা তথ্য ফাঁস

এলিয়ন : যুক্তরাষ্ট্রের গোপন গবেষনা তথ্য ফাঁস


যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়।

Thursday, December 21, 2017

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর ৭ উপায়

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর ৭ উপায়



বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে মোবাইলের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। দিন দিন আন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। আমরা কখনো চাইনা আমাদের প্রিয় স্মার্টফোন স্লো কাজ করুক। কিন্তু, অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। এসব সমস্যার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এসব কারন এড়িয়ে চললে এ সমস্যা থেকে সমধান পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফোনের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস মুছে ফেলুন:
অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে আন্ড্রয়েড অ্যাপস ইন্সটল করতে দেখা যায়। অনেকেই আছেন এসব অ্যাপস অযথা ইন্সটল করে রেখেছেন। অর্থাৎ, অ্যাপস ব্যবহার না করলেও অ্যাপস ইন্সটল করে রাখেন। যদি আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। যদি কখনো প্রয়োজন হয় পরে না হয় এসব অ্যাপস আবার ইন্সটল করে নিবেন।
কেননা, অতিরিক্ত অ্যাপস আপনার আন্ড্রয়েড ফোনের গতি কমিয়ে দিবে।
ডিভাইসের স্টোরেজ পরিষ্কার করুন:
অনেকের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ অপ্রয়োজনীয় ফাইল দিয়ে পূর্ণ করা থাকে, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমাতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলেট করে দিন। এতে, একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি বাড়বে, অন্যদিকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ খালি হবে ।
ভাল মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা:
মোবাইল ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য মেমোরি কার্ড ব্যবহার করি । তবে, মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা সময় মেমোরি কার্ডটি মানসম্মত কি না তা যাচাই করে দেখি না । নিম্নমানের মেমোরি ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে মেমোরি কার্ড ডেটা ট্র্যান্সফারের গতি কম থাকে । এক্ষেত্রে, আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল কম্পিউটার এ ব্যাকআপ রেখে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে আবার ব্যবহার করে দেখতে পারেন । অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি ভাল রাখতে, আপনার উচিত হবে মান সম্মত মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা ।
অপ্রয়োজনীয় ওইজেট মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড প্রচুর ওইজেট রয়েছে। সাধারণত এসব ওইজেট অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এছাড়া নানা কাজে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এসব ওইজেট ব্যবহার করেন। অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে ওইজেট ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে অতিরিক্ত ওইজেট আপনার ডিভাইস এর গতি কমিয়ে দিতে পারে। তাই, আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় ওইজেট থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। আর যথাসম্ভব কম ওইজেট ব্যবহার করুন। এতে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বেড়ে যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলা:
আন্ড্রয়েড অ্যাপস ব্যবহার করার ফলে অ্যাপস এর ক্যাশ আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইস স্লো করে দিতে পারে। তাই, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলতে পারেন। এসব ক্যাশ মুছে ফেলার জন্য আপনি চাইলে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন। এতে, আপনার ফোনের গতি কিছুটা বাড়বে ।
ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট:
যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড অবস্থা অতিরিক্ত খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করে নিতে পারেন। ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করার আগে অবশ্যই আপনার আন্ড্রয়েড এর সমস্ত ডাটা এর ব্যাকআপ নিয়ে রাখবেন। কেননা, ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করলে ফোনের সমস্ত ডাটা মুছে যায়। এরপর, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি সবকিছু নতুন ভাবে সেট-আপ করুন।
স্টার্ট-আপ অ্যাপস নিয়ন্ত্রণে রাখুন:
আমরা অ্যান্ড্রয়েড বেশ কিছু অ্যাপস দেখি যেসব অ্যাপস অটো স্টার্ট আপ ফিচার সমৃদ্ধ। অর্থাৎ, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস চালু হওয়ার সাথে সাথে এসব অ্যাপস স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। যাদের র‌্যাম কম তাঁরা এ ধরনের অ্যাপস যথাসম্ভব কম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। কেননা, এতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর গতি কমে যেতে পারে। এছাড়া, আপনি চাইলে এসব অ্যাপস এর স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্ট আপ বন্ধ করতে পারেন।
এছাড়া, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপস সমূহ সব সময় আপডেট করার চেষ্টা করুন। যখনই আপনার ব্যবহৃত অ্যাপস এর আপডেট করার জন্য নোটিফিকেশন পাবেন, তখনই অ্যাপসটি আপডেট করার চেষ্টা করবেন। এতে, আপনি দুইটি সুবিধা পাবেন। প্রথমত, আপনার ফোনের গতি বাড়বে আর অ্যাপস আপডেট করার ফলে আপনি অ্যাপস থেকে হয়ত বাড়তি সুবিধা পাবেন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোন এ অনেক সময় আমরা লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করি। এসব লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে আপনার ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

Wednesday, December 20, 2017

বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সম্পর্কে অজানা ১৫টি তথ্য যেটা আপনাকে আগে কেউ বলেনি!

বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সম্পর্কে অজানা ১৫টি তথ্য যেটা আপনাকে আগে কেউ বলেনি!



আলবার্ট আইনস্টাইনের সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনাকে নিয়ে মানুষ এখন গবেষণা করে পিএইডডি ডিগ্রি অর্জন করছে। আলবার্ট আইনস্টাইন জামার্নিতে ১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ছিলেন একজন থিউরিটিক্যাল ফিজিক্স। তার জীবনের সবচেয়ে বড় থিউরিটি হলো Theory of Relativity যেটা মর্ডান ফিজিক্সের দুটি মূল ভিক্তির মধ্যে একটি। এছাড়াও তার কাজগুলোকে বর্তমান যুগের ফিলোসফি অফ সাইয়েন্স বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি তার  E = mc2 ফমুর্লার জন্য জনপ্রিয়ভাবে পরিচিত। তিনি ১৯২১ সালে ফিজিক্সে নোবেল পুরস্কার পেয়ে ছিলেন। আইনস্টাইন তার জীবনে প্রায় ৩০০টির বেশি সাইন্টেফিক পেপার এবং ১৫০টির বেশি নন-সাইন্টেফিক পেপার পাবলিশ করে গিয়েছেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিউক্লিয়ার অস্ত্রের ক্ষতির উপর গবেষণারত ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

১) তিনি ছিলেন একজন এভারেজ স্টুডেন্ট!


বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন ছাত্রজীবনে অনান্য সাধারণ ছাত্রদের মতোই ছিলেন। তখন তার বিশেষত্ব বলে কিছু ছিলো না। এভারেজ মানে সাধারণ! তিনি তার স্কুল এবং কলেজ লাইফের সকল সাবজেক্টে সাধারণ ছাত্রদের মতোই ছিলেন কিন্তু একটি সাবজেক্টে ছিলেন সবার সেরা! আর সেটা হলো ম্যাথমেটিকস! তবে অনান্য বিষয়ে তিনি ফেইল করেছিলেন এইরকম গুজব শোনা যায় তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায় নি।

২) মিউজিশিয়ান!


আলবার্ট আইনস্টাইন একজন দক্ষ ফিজিক্সটের পাশাপাশি ছিলেন একজন টেলেন্টেড মিউজিশিয়ানও! কারণ তার মা ছিলেন একজন দক্ষ ও প্রফেশনাল পিয়ানো বাদক তাই তিনিও মায়ের পথ ধরেই মিউজিকের প্রতি দক্ষতা এসে যায়। বলা হয়ে থাকে যে বিজ্ঞানী জীবন যদি তাকে গ্রহন না করতো তাহলে তিনি একজন মিউজিশিয়ানের ক্যারিয়্যার বেছে নিতেন! বিশেষ করে পিয়ানো বাজক হিসেবে আমরা আজ আইনস্টাইনকে দেখতে পেতাম!

৩) তিনি ২ বার বিয়ে করেছিলেন!



আইনস্টাইনের একটি বিশেষ দুবর্লতা ছিলো মহিলাদের উপর। আইনস্টাইন ২ বার বিয়ে করেছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রায় ৬ জন মহিলার সাথে ভালোবাসতেন! তিনি একজন ফিজিক্স মহিলাকে ১৯০৩ সালে বিয়ে করেন, তার প্রথম বিয়ে ছিলো এটি। ১৯১২ সাল থেকে তিনি তার কাজিনের সাথে রোমান্স করে আসছিলেন। এবং ১৯১৯ সালে তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার কাজিনের সাথে বিয়ের পিড়িতে বসেছিলেন। তার দ্বিতীয় বিয়ে। তবে তার কোনো ছেলে বা মেয়ে এখন দুনিয়াতে জীবিত নেই।

৪) নাজায়েজ পিতা!


আইনস্টাইনের মহিলা প্রীতি তাকে একজন নাজায়েজ পিতাও বানিয়েছিলো। তিনি একটি অবৈধ সন্তানের পিতাও ছিলেন। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত আইনস্টাইনের এই বিষয়টি পাবলিকের কাছ থেকে গোপন করে রাখা হয়েছিলো। ১৯০২ সালের প্রথম বিয়ের আগেই তার একটি অবৈধ কন্যা সন্তান ছিলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার অবৈধ মেয়েটির কোনো খবর পাওয়া যায় নি।

৫) ১ মিলিয়ন!


আইনস্টাইনের নেট মূল্য ছিলো ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯৫৫ সালে তার মৃত্যুর সময় তিনি এই পরিমান নেট মূল্যের মালিক ছিলেন। যেটি বর্তমান যুগের প্রায় ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্য হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এখন আপনার কাছে এক লাখ মার্কিন ডলার কমই মনে হতে পারে একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্য। কিন্তু তখনকার সময়ে এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে আইনস্টাইন রাজার মতো তার পরবর্তী জীবনযাপন করতে পারতেন এবং তার ভবিষ্যৎতের সকল এক্সপেরিমেন্ট এর জন্য আর্থিক ভাবে কোনো সমস্যায় পড়তেন না।

৬) নোবেল পুরস্কার!



তিনি নোবলে পুরস্কার জিতে নেবার আগেই তার এই পুরস্কারের প্রাইজ মানি তার স্ত্রীকে দিয়ে দেবার জন্য অঙ্গিকার করেছিলেন! তার প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের সময় আইনস্টাইন তার নোবেল পুরস্কারের অর্থটি তার স্ত্রীকে দিয়ে দেবার জন্য অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে মজার ব্যাপার হলো এই অঙ্গীকারের আরো ২ বছর পর তিনি নোবলে পুরস্কার জিতে নেন। এবং নোবেল পুরস্কারের অর্থটি তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছিলে।

৭) ফিজিক্সের উপর নোবেল।


আইনস্টাইন ১৯২১ সালে ফিজিক্সের উপর নোবেল পুরস্কার জিতে নেন। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন তিনি রিলেটেশনের উপর তার থিউরির জন্য নোবেল পুরস্কার পাবেন। বরং তিনি তার ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের উপর নোবেল পুরস্কার পান।

৮) স্ত্রীর সহযোগীতা!


তিনি তার বিখ্যাত Theory of Relativity বানাতে গিয়ে তার স্ত্রীর সহযোগীতা নিয়েছিলেন বলে প্রমাণস্বরুপ ডকুমেন্টারি পাওয়া গিয়েছে। যদি এটার সত্যিই হয়ে থাকে তাহলে তার স্ত্রীকে নোবেল প্রাইজ মানি দিয়ে দেবার কারণটাও আমাদের কাছে আরো পরিস্কার হয়ে উঠে। আমি টিউনে আগেই বলেছিলাম যে তার প্রথম স্ত্রীও একজন ফিজিক্স বিজ্ঞানী ছিলেন।

৯) সিটিজেনশীপ!


আলবার্ট আইনস্টাইন তার জীবনে দুবার তার সিটিজেনশীপ পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি জার্মানিতে জন্মগ্রহন করেন এবং ১৯১৬ সালে সুইজারল্যান্ডে চলে আসেন। এবং পরবর্তীতে হিটলার পাওয়ারে চলে আসায় তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি আর জার্মানিতে ফিরে যেতে পারবেন না। তাই ১৯৪০ সালে তিনি আমেরিকান সিটিজেনশীপ নিয়ে নেন।

১০) নিউ ইর্য়ক কানেক্টশন!



তিনি তার জীবনে নিউ ইর্য়কের বড় বড় নেতা এবং মানুষদের সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিলো। তিনি প্রথম যখন নিউ ইর্য়কে আসেন তখন উক্ত সময়ের নিউইয়র্ক মেয়র তাকে ঘটা করে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। এমনকি তার মৃত্যুর পর নিউইয়র্কে তার নামে একটি মেডিক্যাল করে খোলা হয়েছিল।

১১) তিনি বড় ব্রেইনের অধিকারী ছিলেন!


আইনস্টাইন খুব মেধাবী ছিলেন কিন্তু অফিসিয়ালী তার ব্রেইনের আকারটাও বড় ছিলো! শুনতে হাস্যকর হলেও এটি সত্যি! সাধারণ মানুষের ব্রেইনের থেকে আইনস্টাইনের ব্রেইন প্রায় ১৫% বড় ছিলো! তাই এখন আমরা বলতে পারি যে মাথা মোটা মানেই যে বলদ না!

১২) ব্রেইনের ভিজিট!


আপনি চাইলে এখনো আইনস্টাইনের ব্রেইনের সাথে দেখা করে আসতে পারেন। বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীদের এবং কৌতুহলি সাধারণ জনতা চাইলেই আইনস্টাইনের ব্রেইনের দর্শন পেতে পারেন। আমেরিকার একটি জাদুঘরে তার ব্রেইনের কয়েকটি অংশ আপনি খুঁজে পাবেন। কারণ তার মৃত্যুর পর টিউনমর্টেমে তার ব্রেইনকে অনেকগুলো ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল।

১৩) বিশাল লাইব্রেরি!


তিনি ছিলেন একজন ছিমছাম মানুষ! তার কাজগুলোকে তিনি লাইব্রেরিতে গুছিয়ে রাখতেন। এমনি করে তার লাইব্রেরির সংখ্যা বিশাল হয়ে গিয়েছিল। ২০১৪ সালের এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে তিনি প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ডকুমেন্টের অধিকারী ছিলেন!

১৪) পরমাণূ বোম্ব!


আইনস্টাইন পরমাণূ বোমার বিরুদ্ধে ছিলেন। অনেকেই আইনস্টাইনকে নিউক্লিয়ার বোমার প্রস্তুতকারক হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন কিন্তু বাস্বতে তিনি পরমাণু অস্ত্রের ঘোর বিরুদ্ধে ছিলেন। কারণ পরমানু বোমার সাইড ইফেক্ট সম্পর্কে তিনি জানতেন। তাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পরমাণূ বোমার বিরুদ্ধে ছিলেন এবং অবস্থান করে গেছেন।

১৫) ইসরাইল প্রেসিডেন্ট!


তিনি চাইলেই ইসরাইল প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন! ইসরাইলের প্রথম প্রেসিডেন্ট মারা যাবার পর ১৯৫২ সালে ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের পদটি আইনস্টাইনে প্রস্তাবিত করা হয়েছিল। কারণ সাবেক প্রেসিডেন্ট মারা যাবার আগে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আইনস্টাইনকে প্রস্তাবিত করে গিয়েছিলেন। কিন্তু আইনস্টাইন এই পদের জন্য নিজেকে অযোগ্য মনে করে প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তো এই হলো আইনস্টাইন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য! তবে টিউনটি শেষ করবার আগে আরেকটি মজাদার তথ্য দিতে চাই আপনাদেরকে! আইনস্টাইন তার জীবনে কখনোই মোজা পরেননি এবং তিনি চুল কাটতে অপছন্দ করতেন! একবার বিষয়টা ভাবুন!

Thursday, November 30, 2017

নতুন বছরের শুরুতেই ফোরজি সেবা: তারানা হালিম

নতুন বছরের শুরুতেই ফোরজি সেবা: তারানা হালিম

\
সরকারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের উপহার হিসেবে জানুয়ারি থেকে ফোরজি সেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।   বুধবার সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
তারানা হালিম বলেন, জানুয়ারিতে ফোরজি সুবিধা চালু হলে গ্রাহকরা ২০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন।   সার্বিকভাবে ফোরজিতে সেবারমান উন্নত হবে।   থ্রি-জি এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভুলত্রু টি দূর করার চেষ্টা করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান।
এখন আপনার প্রিয় জনকে কেউ CALL দিলে সাথে সাথে আপনার ফোনে সেই নাম্বার টি চলে আসবে[২ জনের কারো Internet Connection লাগবে না ]এখনি হ্যাক করুন যে কারো ফোন

এখন আপনার প্রিয় জনকে কেউ CALL দিলে সাথে সাথে আপনার ফোনে সেই নাম্বার টি চলে আসবে[২ জনের কারো Internet Connection লাগবে না ]এখনি হ্যাক করুন যে কারো ফোন

এখন যে কার ফোনের কল লিস্ট দেখুন কোন ইন্টারনেট খরচ না করে অর্থাৎ আপনার এবং তার কারো ইন্টারনেটের দরকার নাই

এই APPS টি কিভাবে কাজ করে এবং কি সুবিধা 

  1. আপনার প্রিয় জনের ফোনে কেউ কল করলে সাথে সাথে আপনার কাছে SMS  চলে যাবে সেই নাম্বারটা -যে নাম্বারে আপনার প্রিয়জন কথা বলছে
  2. এই সফটওয়্যার টা হাইড করা যায়
  3. এই সফটওয়্যার টা একদম ফ্রি [কারন এখানে SMS দিয়ে কল লিস্ট না নাম্বার বের করা হচ্ছে ]

দরকারি জিনিস সমুহ 

  1. Apps ডাউনলোড লিঙ্ক 1
  • নিচের নিয়মে সফটওয়্যার টি আপনার প্রিয় জনের ফোনে ইন্সটল করে দিন 
  • সফটওয়্যার টি ইন্সটল দিয়ে ওপেন করুন এবং Forward To SMS ক্লিক করুন 
  • নিচে দেখানো ২ জায়গাতে টিক দিয়ে দিন 
  • নিচে দেখানো জায়গাতে ক্লিক করুন [phone Number ]
  • এখানে আপনার নাম্বার দিন [যে নাম্বারে আপনি এস এম এস নিতে চান আপনার প্রিয় জনের ফোন থেকে ]
  • Secret code to lunch Application ক্লিক করুন [ App Hide করার জন্য ]
  • এখানে আপনার মনমোত পাসোয়াড দিন এবং সেভ করুন 
  • এখানে OFF আছে আপনি ON  করে দিন 
  • Apps Hide [সফটওয়্যার টি ফেরত আনার জন্য আপনি ডায়াল করতে হবে আপনি যে কোড দিয়েছেন সেটি ]
  • এই সফটওয়্যার টি আপনার প্রিয়জন কখনই দেখতে পারবে না [দেখতে হলে কোড টা লাগবে ] 
  • এখন আপনার প্রিয় জনের ফোনে কেউ কল দিলে সাথে সাথে এস এম এস চলে যাবে আপনার ফোনে সেই নাম্বার টি যার সাথে সে কথা বলেছে [নিচের মত মেসেজ যাবে দেখুন ]

এখন ফ্রিতে 33 মিনিট কথা বলুন প্রতি মাসে যেকোন নাম্বারে [১ টি সিম থাকলে =33 মিনিট”১০ টি সিম থাকলে =330 মিনিট প্রতি মাসে ]

এখন ফ্রিতে 33 মিনিট কথা বলুন প্রতি মাসে যেকোন নাম্বারে [১ টি সিম থাকলে =33 মিনিট”১০ টি সিম থাকলে =330 মিনিট প্রতি মাসে ]

এখন আপনার কাছে যদি একটি সিম থাকে তাহলে আপনি প্রতি মাসে 33 মিনিট ফ্রিতে কথা বলতে পারবেন যে কোন নাম্বারে
[১০ টি সিম থাকলে =330 মিনিট প্রতি মাসে ]

দরকারি জিনিস সমুহ


  • এখানে Number  /password দিয়ে Register ক্লিক করুন (তাহলে একাউন্ট খুলা হয়ে যাবে )
  • আপনার মোবাইলের সিমে ৬ সংখার কোড যাবে সেটা দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে
  • এখন Number/Password দিয়ে Login করুন
  • এখানে আপনাকে 200 কেডিট দেয়া হবে প্রতি মাসে (৬ কেডিট ১ মিনিট )
  • কল করার জন্য Calls ক্লিক করুন
  • এখন নাম্বার তুলে কল দিন এবং Pen Call সিলেক্ট করে দিন
  • দেখতে পাচ্ছেন কল চলে এসেছে আমার ফোনে
  • আমি ১ মিনিট কল করেছিলাম আমার কেটেছে ৬ কেডিট (তাই আমি 33 মিনিট বলেছে )

Tuesday, November 28, 2017

অশ্লীল গল্প ইউটিউবে, অর্থলোভে তরুণীরাই জড়াচ্ছে বেশি

অশ্লীল গল্প ইউটিউবে, অর্থলোভে তরুণীরাই জড়াচ্ছে বেশি



পিঙ্কি সরকার (ছদ্মনাম)। বছরখানেক আগে দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক শেষ করেছেন। পড়াশুনা শেষে চাকরি না পেয়ে ইউটিউব কন্টেন্টের মাধ্যমে আয়ের পথ খুঁজতে শুরু করেন। বাসায় বসে নিজে গল্পে কণ্ঠ দিয়ে ও গ্রাফিক্স করে বানাতে শুরু করেন ইউটিউব কন্টেন্ট। তবে এই গল্পগুলো সবই সমাজের ‘নিষিদ্ধ’ গল্প। কিছুদিনের মধ্যে বেশ ভালো আয়ও করতে শুরু করেন। এখন আর কোনো চাকরির ওয়েবসাইট কিংবা পত্রিকায় চোখ না বুলিয়ে এটাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন তিনি।

শুধুমাত্র পিঙ্কি নয়। তার মতো অনেক তরুণীই এখন ইউটিউবে বাংলা অশ্লীল গল্প আপলোড করে আয়ের পথ খুঁজছেন। ইউটিউবে এমন গল্পের ক্ষেত্রে সবার আগে আসে জেসিকা শবনম  নামের এক তরুণীর নাম। একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এই নামেই ইউটিউবে রয়েছে শতাধিক কন্টেন্ট। প্রত্যেকটি কন্টেন্টে ভিউয়ারের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ১০ হাজার থেকে শুরু করে প্রতিটি কন্টেন্টে ভিউয়ারের সংখ্যা পাঁচ লাখ পর্যন্ত।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউবে প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রতি তিনজনের একজন ঢুঁ মারেন। মোট হিসেবে এই সংখ্যা ১ বিলিয়নেরও বেশি। প্রতিদিন চার বিলিয়ন ভিডিও দেখা হয় এই সাইটটি থেকে। তিন বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৬০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত সকল বয়সের মানুষই পেয়েছেন এই প্রযুক্তির ছোঁয়া। তবে বিশাল এই মাধ্যমটির বাজে ব্যবহার দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির জন্য খুবই ভয়াবহ ফল বয়ে আনবে বলে মনে করেন প্রযুক্তিবিদ ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। আর এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আইনের চাইতে সচেতনতা ও তরুণদেরই বেশি ভূমিকা রাখতে হবে বলে মত তাদের।

অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট বা ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়া অশ্লীল গল্প সমাজের জন্য খুবই ভয়াবহ ফল বয়ে আনবে বলে মন্তব্য করে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক তাজুল ইসলাম সময় নিউজকে বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো ব্যবসা হচ্ছে যৌনতা নিয়ে ব্যবসা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে এই ব্যবসার ধরন। আগে শুধুমাত্র যৌনকাজ করে এই ব্যবসা চললেও বর্তমানে শুধুমাত্র সেখানেই থেমে নেই। ভিডিও থেকে অডিও’তেও রূপ নিয়েছে এই অনৈতিক ব্যবসা। 

তিনি বলেন, মানুষ যখন আর্থিক সংকটে ভোগে তখনই তারা এ ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়ে। নৈতিকতা ও আত্মমর্যাদাবোধের অভাবেও তারা এ কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এসব কন্টেন্টের বেশিরভাগেই প্রলুব্ধ করা হয় অসুস্থ যৌনাচারে। আর এই নিকৃষ্টতর কাজ একটি জাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এগুলো মানসিক ও সামাজিক বিশৃঙ্খলাও তৈরি করবে। তাই এগুলো এখনই বন্ধে উদ্যোগ নেয়া জরুরি।

ইউটিউবে প্রতি মিনিটে আপলোড করা হয় ৪০০ ঘণ্টার মতো ভিডিও। আর ইউটিউব ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন ছয় বিলিয়ন ঘণ্টা ব্যয় করেন এসব ভিডিও দেখে। জনপ্রিয় এই সাইটটিতে অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট আপলোডে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেকক্ষেত্রে ভাষার কারণে নীতিহীন ইউটিউবাররা সুবিধা পান বলে মন্তব্য করে তথ্য প্রযুক্তিবিদ ও ইউটিউবার সালাউদ্দিন সেলিম সময় নিউজকে বলেন, এ ধরনের কন্টেন্ট বন্ধে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু নিয়ম রয়েছে। ইউটিউব নিজেই কন্টেন্ট ফিল্টার করে। কিন্তু ভাষার ভিন্নতা হওয়ায় এবং যেসব শব্দে ইউটিউবের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেগুলো এড়িয়ে অন্য শব্দ ব্যবহার করায় কিছুক্ষেত্রে অনেকেই সুবিধা নিতে পারেন।

তবে এগুলো বন্ধে দেশের ইউটিউবারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কন্টেন্ট ছড়িয়ে পড়া বন্ধে এগিয়ে আসতে হবে দেশের ইউটিউবারদের। যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে এ ধরনের ভিডিও আপলোড করা হয় সেগুলোকে রিপোর্ট করা হলে ইউটিউব খুব দ্রুতই সেগুলা বন্ধ করে দেয় এবং অনেকক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টই বন্ধ করে দেয়া হয়। অন্যদিকে বিটিসিএল যেহেতু শুধুমাত্র ইউআরএল বন্ধ করতে পারে এবং প্রত্যেকটি ইউটিউব কন্টেন্টের ইউআরএল আলাদা সেজন্য ইউআরএল বন্ধ না করে আইন প্রণয়ন করা দরকার।

তবে বর্তমানে যে আইন রয়েছে তাতেই এসব কন্টেন্ট বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিটিআরসির সচিব সরওয়ার আলম। তিনি সময় নিউজকে বলেন, ইউটিউবের অশ্লীল কন্টেন্ট বন্ধে আমরা অনেক আগে থেকেই কাজ করছি। আর কেউ যদি এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় তবে সে বর্তমান আইনে মামলাও দায়ের করতে পারবেন।

অন্যদিকে তাজুল ইসলাম মনে করেন, আত্মমর্যাদাবোধ ও নৈতিকতার চর্চার মাধ্যমেই এসব কন্টেন্ট বন্ধ হতে পারে।

কেউ যদি ইউটিউব থেকে আয় করতে চান তবে এসব অশ্লীল কন্টেন্ট বাদ দিয়ে অল্প খরচে ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরি করেও আয় করতে পারেন বলে মনে করেন সালাহউদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, এগুলো হতে পারে টিউটোরিয়াল, ভ্রমণ বিষয়ক কিংবা লাইফস্টাইটল বিষয়ক কন্টেন্ট তৈরি করে।

উদাহরণ টেনে সেলিম বলেন, কেউ কোথাও ঘুরতে গেল মোবাইলে সেই জায়গার ভিডিও করে কিংবা ঘরে বসে রেসিপি’র ভিডিও তৈরি করে খুব সহজেই ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন। এতে যেমন সমাজের নৈতিক অবনতির সম্ভাবনা থাকবে না তেমনি আয়ের পাশাপাশি তথ্য দিয়ে উপকৃতও করা হবে সাধারণকে।
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাবধান!

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাবধান!


অসংখ্য মানুষ অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। আর সবাইকে সাবধান করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে টেক্সট মেসেজ আকারে ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি মেসেজ পড়তে দিচ্ছেন না।




এমনটি স্মার্টফোনের বারোটা বাজিয়ে দেবে। এই মারাত্মক হুমতি অনেকটা মাল্টিমিডিয়া মেসেজের লিঙ্ক আকারে আসছে। এতে ক্লিক করলে ডাউনলোড হচ্ছে ‘মাজার’ নামের ম্যালওয়্যার। এটা মোবাইলে এসে ফোনের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা সব ইন্টারনেট সংযোগ সৃষ্টি করে। আর যেসব স্থানে সংযোগ করছে তারা মোবাইলের নিয়ন্ত্রক হয়ে যাচ্ছেন।
ফলে নিয়ন্ত্রকরা আপনার টেক্সট মেসেজ পড়তে পারবেন। ফোনের ব্যবহারে নজরদারি করবেন এবং ফোনও করতে পারবনে। এমনকি গোটা ফোন পুরোপুরি অচল করে দেওয়ার ক্ষমতাও পেয়ে যাবনে তারা। ডেনিশ ইন্টারনেট সিকিউরিটি ফার্ম হেইমডাল সিকিউরিটি জানায়, ইতিমধ্যে কেবলমাত্র ডেনমার্কেই এসব মেসেজ দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ স্মার্টফোন। তবে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এটি কিভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তা এখনো পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। আবার যেসব ফোনের ভাষা রাশিয়ান, সেসব মোবাইলে ম্যালওয়্যারটি ডাউনলোড হচ্ছে না।
এতে করে এর নির্মাতাদের সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা করে নেওয়া যায়। আবার যেসব ফোনের ডিফল্ট সেটিং হিসাবে ‘প্রিভেন্ট সফটওয়্যার ফ্রম আনট্রাস্টেড সোর্সেস’ ঠিক করা আছে, সেসব ফোনেই এটি ডাউনলোড হচ্ছে। হেইমডাল সিকিউরিটির বিশেষজ্ঞ আন্দ্রা জাহারিয়া জানান, বিশেষ এই ম্যালওয়্যারটি যাবতীয় অঘটনের দ্বার খুলে দেয় স্মার্টফোনে ডাউনলোড হওয়ার পর। আক্রমণকারীরা মোবাইলের আক্রমণের জন্যে আলাদা পথ খুলে নিতে পারেন অনায়াসেই। যত্রতত্র মেসেজ পাঠিয়ে বা কল করে ব্যবহারকারীর বিল অনেক বাড়িয়ে দিতে পারেন তারা।
এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে কোনো ব্যাংক থেকে পাঠানো অথেনটিকেশন নম্বর পর্যন্ত চলে যাচ্ছে আক্রমণকারীদের হাতে। মাজার-এর মাধ্যমে আক্রান্তের মোবাইল এবং ওয়েব নির্ভর যাবতীয় ক্ষেত্রে পুরো নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে আক্রমণকারীরা। এমনকি এসব তথ্য গোটা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতে পারেন তারা। সেই সঙ্গে ফোনের সেটিংও চলে যাচ্ছে তাদের হাতে। জাহারিয়া আরো জানান, এই প্রথমবারের মতো এত কার্যকর ম্যালওয়্যার দেখা গেলো যা অ্যান্ড্রয়েডে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্ভবত আক্রমণকারীরা এটাকে পরীক্ষামূলকভাবে ছেড়েছেন।
এর কার্যকারিতা দেখছেন এবং এতে আরো কৌশল যোগ করতে চাইছেন। এটা প্লে স্টোর ছাড়া অন্য উৎস থেকে অ্যাপ ইনস্টল করতেও উৎসাহ দিচ্ছে। মোবাইল সিরিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান প্রুফপয়েন্ট-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড জিভানস জানান, এটাকে রাশিয়ান ম্যালওয়্যার বলেই মনে হয়। এর কন্ট্রোল প্যানেলটা এমন যে, তা ঐতিহাসিকভাবেই অনলাইন ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট সাইবার অপরাধীরা ব্যবহার করে থাকেন। কাজেই বিশ্বের সব স্থানের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের সাবধান থাকতে হবে টেক্সট মেসেজের ব্যাপারে।
সূত্র : ডেইলি মেইল

Monday, November 27, 2017

জেনে নিন : মোবাইল চুরি ঠেকাবেন যেভাবে

জেনে নিন : মোবাইল চুরি ঠেকাবেন যেভাবে


ইদানিং ফোন চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আপনার সামান্য অসতর্কতাতেই চুরি বা ছিনতাই হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় ও মূল্যবান স্মার্টফোনটি। এ ধরনের ঘটনায় কী করণীয় তার কিছু সহজ উপায় নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোন চুরির ঘটনা ঠেকাতে ব্যবহারকারীকে সতর্ক হতে হবে পাশাপাশি হতে হবে চোরের চেয়েও স্মার্ট।

ডলফিনের মতো সজাগ থাকুন
ডলফিন ঘুমানোর সময় এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়, অর্থাত্ আকস্মিক কোনো বিপদ বা আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সতর্ক হয়ে থাকে। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীকেও নির্জন পথে বা বিপদজনক এলাকায় হাঁটার সময় চোখ-কান খোলা রেখেই চলতে হবে। কোনো রেঁস্তোরার টেবিলে, চা-কফির দোকানে মোবাইল ফোন ফেলে রাখবেন না। দামী স্মার্টফোন দেখিয়ে ব্যবহার করবেন না।
ফোন লক করে রাখুন
মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার পর সাধারণত চোর সে ফোনটি বন্ধ করে দেয় এবং ফোনটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে খুব কম সময়ে মুঠোফোন উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে যায়। তাই স্মার্টফোনের হোম স্ক্রিন লক করে রাখুন। এতে কিছুটা হলেও তথ্য মুছতে বেগ পেতে হবে।
মুঠোফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখুন
মুঠোফোনের মডেল নম্বর, সিরিয়াল নম্বর, আইএমইআই নম্বর টুকে রাখুন। ফোন চুরি হলে এ তথ্যগুলো পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে কাজে লাগবে। মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর জানতে ‘স্টার হ্যাস ০৬ হ্যাস’ ডায়াল করুন। ব্যাটারির নীচে মুঠোফোনের লেবেলে আইএমইআই ও সিরিয়াল নম্বর থাকে।
ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার
যদি চুরি যাওয়া মুঠোফোন চালু হয় তবে ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন কাজ করে। সাধারণত চুরির পরপরই চোর সে মুঠোফোন বন্ধ করে দেয় এবং ফোন চালু করার আগে ট্র্যাকিং প্রযুক্তিকে বিভ্রান্ত করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তারপরও সতর্কতার জন্য বিভিন্ন ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আইফোনের জন্য বিনামূল্যের ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা ‘হোয়ার ইজ মাই ড্রয়েড’, ‘লুকআউট’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাপ্লিকেশন স্টোরে দূর থেকে মোবাইল লক করে দেওয়ার অ্যাপ্লিকেশন পাবেন।
সর্বশেষ ফোন একটু দেরিতে কিনুন
অনেক ক্ষেত্রে সর্বশেষ বাজারে আসা স্মার্টফোন কেনার কারণে চোর বা ছিনতাইকারীর লক্ষে পরিণত হয়ে যান। কিন্তু সহজলভ্য স্মার্টফোনে চোরের আগ্রহ থাকে কম।
ফোন চুরি হয়ে গেলে করণীয়
দ্রুত আপনার মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে সিম কার্ড বন্ধ করতে জানিয়ে দিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আপনার মোবাইল চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনা জানান।
এইবার শুধু ওয়াইফাই না…ওয়াইফাই রাউটার হ্যাক করুন

এইবার শুধু ওয়াইফাই না…ওয়াইফাই রাউটার হ্যাক করুন

আমাদের দেশে ওয়াইফাই আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে…..
ঘরে ঘরে ব্রডব্যন্ড আসার পাশাপাশি ব্যবহার হচ্ছে ওয়াইফাই রাউটার।।
যদি আপনি ওয়াইফাই রাউটার করতে চান তবে অবশ্যই সেই ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড থাকা লাগবে
সেজন্য আপনার ওয়াইফাই এর পাসোয়ার্ড লাগবে .. রাউটারের মালিক আপনার পরিচত হলে পাসওয়ার্ড তার কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারেন অপরিচিত হলে  হ্যাক করে নিতে পারেন সহজ কিছু উপায়ে
আমাদের দেশের বেশীর ভাগ রাউটার ই Tp-Link company এর।এবং রাউটার কিনে যখন কেউ সেটাপ করে সেটা ডেটা ক্যবল এর সাহায্য করে থাকে।
সুতরাং বেশীর ভাগ রাউটার মালিক দের ই এই ব্যপারে আইডিয়া থাকে না যে তার রাউটার ডাটা ক্যবল ছাড়া ও শুধু মাত্র মোবাইল ফোন দিয়েই সম্পূর্ন  নিয়ন্ত্রন করা যাবে। আমরা সেটার ই সুযোগ নিবো
রাউটার এর কন্ট্রোল নেয়ার পর আপনি যা করতে পারবেন-
  • ওয়াইফাই এর নাম পরিবর্তন করতে পারবেন
  • পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন
  • রাউটার নতুন ভাবে সেটাপ করে দিতে পারবেন
এক কথায় আপনি সম্পূর্ন রাউটার এর ক্ষমতা পেয়ে যাবেন
তাহলে শুরু করা যাক..
আশা করি আপনি যে রাউটার হ্যাক করবেন সেটার ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড সংগ্রহ করে কানেক্ট করে ফেলছেন..তাহলে পরবর্তী ধাপে আসি
আপনি এটা কম্পিউটার ছাড়া ও মোবাইলের ডিফল্ট ব্রাউজার থেকে ও করতে পারেন
এখন যদি আপনি এন্ড্রয়েড ব্যবহার কারী হোন তাহলে মোবাইলের ডিফল্ট ব্রাউজার /Uc browser  থেকে নিচের লিংকে যান ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড থাকা অবস্থায়
=>http://192.168.0.1 যদি এটা কাজ না করে এখানে যান http://tplinklogin.net
http://tplinklogin.net শুধু মাত্র টিপি লিংক কোম্পানীর রাউটার এর জন্য কাজ করবে
এখন একটা পপ আপ আসবে যেটা রাউটার এর ইউজার নেম এবং পাসোয়ার্ড চাবে
সাধারনত রাউটার এর ডিফল্ট ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড নিচের মতো থাকে
User Name: admin
password   :admin
যদি কেউ এডভান্সড রাউটার ইউজার না হয় তারা এই ব্যপার টা জানেই না এবং পাসওয়ার্ড ও পরিবর্তন করে না .. সুতরাং আপনি এই ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড এর মাধ্যমেই রাউটার এর একসেস পেয়ে যেতে পারেন
সুতরাং এটা দিয়ে চেষ্টা করুন  username/password as admin/admin

আপনি যদি সৌভাগ্যবান হন এই পাসোয়ার্ড দিয়েই রাউটার এর এডমিন প্যনেল পেয়ে যাবেন

রাউটার থেকে যেভাবে ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করবেন:

রাউটার এর ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করার জন্য রাউটার এর এডমিন প্যনেল থেকে নিচের মতো যান
Wireless=>Wireless Security তারপর “WPA-PSK/WPA2-PSK” এর নিচে আপনি রাউটার এর ওয়াইফাই পাসোয়ার্ড দেখতে পারবেন এবং পরিবর্তন করতে পারবেন  .. পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করার পর সেভ করুন এবং রাউটার রিবুট করুন… তারপর আপনার নতুন পাসোয়ার্ড কার্যকরী হবে

হ্যাক করা রাউটার এর ওয়াইফাই নাম যেভাবে পরিবর্তন করবেন?

রাউটার এডমিন প্যনেল থেকে খুব সহজেই আপনি এটা করতে পারেন
নিচের মত যান
Wireless=>Wireless Settings  এবং  SSID1 এর ভিতর নতুন নাম দিন [যে নামে পরিবর্তন করতে চান] .. তারপর সেভ করে রাউটার রিভবুট করুন..তারপর আপনি আপনার নতুন দেয়া নামে ওয়াইফাই টাকে দেখতে পাবেন :p
এইভাবেই আপনি খুব সহজ ভাবে রাউটার এর পুরো নিয়ন্ত্রন নিয়ে নিতে পারেন!!

NB:আমি এই পদ্ধতিটা শুধু মাত্র আপনাদের শেখানোর জন্য শেয়ার করেছি…  দয়া করে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কারো ক্ষতি করবেন না :)


কীভাবে রাউটারের নিরাপত্তা বাড়াবেন[রাউটার মালিক দের জন্য]:

যদি আপনি ক্যবল দিয়ে আপয়ার রাউটার সেটাপ করে থাকেন তবে আপনার জেনে রাখা ভালো ক্যবল ছাড়া ও আপনি এই কাজটা করতে পারেন 192.168.0.1 তে গিয়ে যখন আপনি আপনার ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্টেড আছেন
ডিফল্ট ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন user name/password : admin/admin
তারপর এডমিন প্যনেল এর নিএর দিক থেকে  System Tools=>Password এ যান ..প্রথমে আপনার ডিফল্টা ইউজার নেম/পাসোয়ার্ড টা দিন [admin/admin] তারপর নতুন ইউজার নেম আর পাসোয়ার্ড দিন
তারপর উপরের নিয়মে কেউ আপনার রাউটার এর একসেস নিতে পারবে না তবে অন্য কোন ভাবে পারবে
খুব সহজেই উইন্ডোজ ৭,৮,১০ অ্যাক্টিভ করুন। 100%

খুব সহজেই উইন্ডোজ ৭,৮,১০ অ্যাক্টিভ করুন। 100%


ইন্টারনেট এ অনেক ফেক প্রোডাক্ট কী পাবেন, কিন্তু ওগুলো দিলে দেখা যাচ্ছে ইন্টারনেট অন করলে প্রোডাক্ট আইডিকে ফেক হিসাবে ধরে নিচ্ছে। এজন্য আমি বলবো সফটওয়্যার ব্যবহার করতে। সফটওয়্যার গুলো একটি প্রোডাক্ট কি কে ফেক হিসাবে ধরলে আর একি দিয়ে দেয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে। আপনি নিচের সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন তারপর আর কিছু করতে হবে না। তবে খেয়াল রাখবেন এটাকে অ্যান্টিভাইরাস গুলো হ্যাকিং টুল হিসাবে চিহ্ন করে, তাই ইন্সটল দেয়ার সময় অ্যান্টিভাইরাসটি বন্ধ রাখুন আর জীপ ফাইলটিতেই ব্যাকআপটি রাখুন।


Name: KMSPico_10.2.1.iso
Download Link : Here 
ফেসবুক এ আমায় পাবেন